At the end of another lost highway, Signs misleading to nowhere... "Green Day - Jesus of suburbia"


অনেক সময়, অনেক কালে, অনেক হল বেলা...

অনেক তবু খানিক যে কম... অনেক কিছুর খেলা...

সময় তবু যাক বয়ে যাক, অনেক সময় আছে!!

প্রাণ যে শুধু স্বপ্ন নিয়ে আর্তনাদে বাঁচে!!!

যদি আমি নাই বা রহি... অনেক কিছু থাকে;

চোখ মেলে দেখ ওরে পাগল, জীবন পথের বাঁকে...


7:23 AM
"Walking alone and no way out"
An Example of my Magic Existence - Gop's Budday

Happy Birthday Gop


2:56 PM
"Walking alone and no way out"
পূর্ণিমা
এবার একটা নতুন সুরে লিখতে বস্লাম। খানিকটা নতুন, পুরোনো, পুরো নতুন হওয়া বোধহয় কখনওই সম্ভব নয়। কাল রাখী গেছে। আমি বাড়ী থেকে প্রায় ১৫০০ কিমি, দূরে এখন যোধপুরে। বলতে দ্বিধা নেই যে এই ভৌগলিক দূরত্বটা আমায় বিষেশ কখনই ভাবায় না, আর কাঁদাবার কোন প্রশ্নই ওঠে না। আমার এই নব্য জীবনের মত ভাল আমি এর আগে কবে থেকেছিলাম, তা ভেবে কুল পাই না। তাই আজ লিখতে বসেছি একটা এমন ঘটনা নিয়ে যা আমায় হঠাত করে একটু ছুঁইয়ে গেল।

চাই আর না চাই, এই বিদেশের মাটিতে, মাঝে মাঝে একটু ভাবুক হয়ে উঠলে একটু বিপদে পরতে হয়। বিপদটা আর কিছুই না, পিছনে ফেলে আসা জীবনটা (যেটা নেহাত খালি নয়, বেশ গিজগিজ করছে পুরোনো সব স্মৃতিতে) যেন কোথা থেকে ভেসে আস্তে থাকে, অসুবিধেটা এই যে তখন একটা কান্না যেন কোথা থেকে ফিরে আসতে চায় গলার মধ্যে। বর্তমান 'ভাল থাকার' সময়টা কে এই কান্না দিয়ে ভিজিয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে না আর তাই এই একটু নতুন সেজে এই আমার লিখতে বসা।

নিজের বোন না থাকায় এই রাখীটা কোনোদিনই বিষেশ তাতপর্যের ছিলনা আমার জীবনে, তবুও দিদা, ঠাকুমার আহ্লাদে, হাতে একটা-দুটো রাখী উঠতই। রাখীটা কিছুই নয় হয়ত, তবু এই টুকরো দিনগুলো ফিরিয়ে আনে... মনে পরে পৃথা, রু-এর কথা... স্কুলের পরে কোথাও এক বোনের জন্ন্য টিউশন কাটা... কখনো বাঁচানো পয়সার সবটুকু দিয়ে ট্যাক্সি নিয়ে সিটি সেন্টার ছোটা, বোঙ্কে ক্যাডবেরি দেওয়ার জন্য। খালি তো এই নয়, সঙ্গে জুড়ে থাকা আরও নানান কথা ফিরে আসে... বাড়ী পালিয়ে রু-এর সাথে আড্ডির ঝগড়া মেটাতে সল্টলেক ছোটা... দিব্য-র কথাও ভিষণ ফিরে আসে, স্মৃতির বোধহয় এটাই দোষ, কোনো কিছুই এক যায়গায় আটকে থাকে না... সব তালগোল পাকিয়ে চোখটাকে ঝাপসা করে তোলে। দিনগুলো ফিরে আসতে চায়।

গত কয়েকদিন ধরেই একটু চাপে আছি, মানসিক... বিভিন্ন কারণে, এর মাঝে এল রাখী। বিশেষ কোনো হেলদোল আমার তাতে নেই। কিন্তু মাঝে একজনের হাতে একটা রাখী দেখে জিজ্ঞ্যেস করে ফেললাম, কে পরাল? বোন পাঠিয়েছে, সে নিজেই পরে নিয়েছে। আর এখানে বন্ধু বান্ধব্রাও অনেকে সম্পর্ককে একটা নাম দেওয়ার তাগিদে অনেকে অনেক্ককে পরায়। আমার হাতটা আগের বারের মতই খালি থেকে গেল।

হঠাত রাত দশটায় কলকাতা থেকে একটা ফোন... এমন একজন যে ভাবিনি এই ফোনটা আসবে। রু। অনেকক্ষণ কথা বল্ললাম, অনেক কথা হল বেশ মিনিট কুড়ি ধরে। তার থেকে বেশি বলা এই এসটিডি তে সম্ভব নয়। কেন জানি না এ বছর একটা রাখী পরার জন্য ভীষণ মন কেমন করছিল। এতটাই যে সন্ধ্যে বেলা বাজারে রাখীর দোকান দেখে ভাব্লাম একবার, যে একটা কিনে পরে নিই। তবু কেনাটা আর হয়ে ওঠেনি। তাই রু-এর ফোনটা রাখার পরে মনে হল যে এত কাছে এসেও রাখীটা আর পরা হল না, ফোন দিয়ে তো আর ফিতে বাঁধা যায় না।

রাত আড়াইটেঃ

ল্যাপটপ আর ইন্টারনেট নিয়ে এই ঢের রাত অবধি জেগে থাকাটা খানিক স্বভাব পরিণত হয়েছে। ঘুম আর আসে না।খানিক টা ইনসম্নিয়াক হয়ে উঠেছি বলে গত কালই গোপের সাথে তর্ক হচ্ছিল। সারা ধারে প্রায় সবাই বেশ ঘুমিয়ে পরেছে এই রাতে, কোন কোন ঘরে এখনও আলো জ্বলছে। হঠাত 'জিটক'-এ আওয়াজ। এত রাতে! সচরাচর আসে না। একজন বান্ধবী, খানিকটা বেশীই তার থেকে একদম বোনের মত, সব রকম ঠাট্টা-ইয়ার্কির সাথী।

'হ্যাপি রাখী'

সারাদিনের ব্যস্ততায় আর আমার নেচে বেড়ানো জীবনে আর দেখা পায়নি আমার ক্লাসের পরে। তাই এত রাতে আমার জন্য শুভেচ্ছা বার্তা।
'আরে শোন, তোর রাখীটা আমি 'অমুকের' কাছে দিয়ে দিয়েছি, কাল নিয়ে পরে নিস্‌। সন্ধ্যেবেলা পরাতে নেই, তাই আর আমি পরাইনি।'


ঠিক এই জিনিসটাই এত দিন বিশ্বাস করে এসেছি, আজ আরেকবার হাতে গরম (আর চোখে গরমো বটে) প্রমাণ পেলাম। আত্মীয়তা জিনিসটা রক্তে নেই, শুধু মন দিয়ে চেনা যায়, বাঁধা যায় না ভূগোল দিয়ে। এই মরুপ্রান্তরে বসেও আমি আত্মীয়তার থেকে কোনোদিনই বঞ্চিত হুলাম না। শুধু আবেগ দিয়ে বোঝা যায়, কি চাইছে আরেকজন। মুখফুটে কিকছু বলতে হয় না, না পাওয়ায় কাঁদতে হয় না। আজ যদি আমি এই শেষ রাতে কেঁদে থাকি, তা শুধু এই উপলব্ধির প্রকাশে। এই হতভাগার কথা এখানেও তাহলে কারুর মনে ছিল।

'তুই ভাবলি কি করে, যে আমি ভুলে যাব... আমায় বোন বলিস অথচ আমি ভুলে যাব!'

খুব সহজে বলে গেল কথাটা, তবু মানে আর তাতপর্যটা আমার কাছে অনেক বেশি করে এসে ধাক্কা মারল মনে... এই ধাক্কাটার অপরিসীম মানেটা হয়ত ও বুঝল না, কিন্তু শেষ রাতের যে কয়েক ফোঁটা চোখের জল আমি ফেললাম, তা আমার জীবনটাকে আর কয়েকটা দিন লড়ে যাওয়ার রশদ দিয়ে গেল।

আমি ভাল আছি।


1:44 AM
"Walking alone and no way out"
ভৌতিক

আমার ল্যাপটপে ভূত আছে এ আমার দীর্ঘদিনের বিশ্বাস, এখন হাতেনাতে টের পাচ্ছি, যখনই কোনো প্রবলেম নিয়ে সার্ভিস সেন্টারে যাওয়া হয়, অমনি টপাটপ ঠিকঠাক চলতে থাকে, সত্যি বলছি তিতিবিরক্তিকর। স্ক্রীন খারাপ হয়ে গেছে, চলছে না, এই অসুবিধেয় নাজেহাল হয়ে পরেছিলাম। দীর্ঘ এক মাস যাবএই অত্যাচার সহ্য করে আজ শহরের আরেকপ্রান্তের কারখানায় পাঠানো হল, কি লাভ? এখন ঠিকঠাক চলছে। ভূত বোধহয় জীবনের সকল প্রান্তে সকল খানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে – আমাদের বোধে, আমাদের চেতনায়, আমাদের দুনিয়া দর্শনে, আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কে, আমাদের আশে, আমাদের পাশে – যত্র তত্র সর্বত্র। তাই বোধহয় এ জগতে স্থিতির বড় অভাব, এক চঞ্চলা ভূত বোধহয় জাঁকড়ে ধরেছে আমাদের। বা হয়ত খালি আমাকে।

আজও আমি বসে আছি সেই পাঁচ নম্বর কোর্টরুমে। সেই জাস্টিস কাপাডিয়া আর রেড্ডি। সেই এক কর সংক্রান্ত ব্যাপার। আজ যে মামলাটা চলছে তার খুব কাছাকাছি একটি মামলায় এর আগে একটি রায় দিয়েছেন এই একই জাস্টিস কাপাডিয়া। সুতরাং সহজ ব্যাপার। তবু ওই ভূত আজ ওনাকেও ধরেছে বোধহয়। কিছুতেই মানবেন না ওই আগের রায় এই মামলাতেও লাগবে। তাই চলছে তর্ক বিতর্ক। অস্থিতির ভূত বেশ ভালোই নাচাচ্ছে। আর এই সেকশন সাব-সেকশনের ধাক্কায় আমরা সবাই বেশ নাচছি।

আমাদের নাচ এই বাক্‌বিতন্ডার আসনের বাইরেও অনেক সুদূর অবধি বিস্তৃত। স্থিতির বড় অভাব, যে সম্পর্কটাকে কাল ভেবেছিলাম আঁকড়ে ধরার মূল, আজ সেটা বড় লঘু। লঘু যে আমি করেছি তা নয়; অমুক ভার্সেস তমুকের কেসে, সবসময় যে অমুক দোষী এমন নয়। তমুক যদি মেনে নিতে না চায় এই সম্পর্কের বাঁধনটাকে তবে অমুকেরও বোধহয় কিছু করার থাকে না। কে বা আর কাহাতক আহাম্মকের ন্যায় বসে থাকে! অনেক সময় সে বসে থাকতে চাইলেও, তাকে উঠে যেতে বলা হয়, অগত্যা সে উঠে পরে। স্থিতির কথা আর তার ভাবা হয় না। বহু ক্ষেত্রে মন ভীষন চায় ওই পূর্বতন স্থিতিশীল পরিস্থিতিতে। তাই ছেড়ে দেওয়া আর হয় না। মনের কোণে কোথাও ওই ভূতের ওঝা বসে নীরবে মন্ত্র পড়েই যায়। তাই মেঘের পিছনে ঢাকা চাঁদের মত অপেক্ষা যে মেঘ তো ক্ষণকালের, তারপর, ছিঁড়ে যাবে কালো পর্দাটা, আবার আলো ফুটবে। সম্পর্কের তাই বোধহয় কোনো কারণ হয় না, কোনো নিয়ম হয় না। শুধু আশা আকাঙ্খার দোলায়, হৃদয়ের ওপর হাত ঠেকিয়ে যা ঠিক মনে তাকেই ঠিক ঘোষণা করা।

ঠিক একানেই বোধহয় সব ভৌতিকতার উত্তর লুকিয়ে। নিয়ম নেই, নিষেধ নেই, কারন নেই, বারন নেই, তাই কাছে আসার সম্পর্কের নাম দেওয়ার যেমন কোনো দিশা নেই; ছড়িয়ে ছিটিয়ে টুকরো হয়ে যাওয়ারও তাই কোনো মানা নেই। মুক্ত ডানার পাখনায় ভর করে ভেসে যাওয়াই তাই বোধহয় সম্পর্কের অপর পিঠ। অমুক বা তমুক কেউই তাই বোধহয় দোষী নয়, কারুরই তাই বোধহয় কোথাও বেঁধে থাকার বা বেঁধে রাখার দায় নেই। সম্পর্ক মানে বোধহয় তাই ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে অরাজকতার রূপ বা রূপান্তর বা হয়ত ব্যক্তি মননে তার ছাপ। এ একান্ত ভাবেই ব্যাক্তিগত এবং মানসিক অরাজকতা। কারণ এর উস মনের গভীরে, একান্ত ভাবেই সেখানে যেখান থেকে বাঁধা কারণ, বারন না মেনে ভালো লাগা বা না লাগা জন্ম নেয়। সব থেকে বড় বিষয়, এই মানসিক প্রতিবিম্বগুলো বেশীর ভাগ সময়েই ব্যক্তির দেহ বা মন ছাড়িয়ে তার বাইরে বের হওয়ার সুযোগ পায় না, কারণ মানুষের সম্পর্কগুলো অই মনের ভিতরেই হিসাব নিকাশ কষে।

তাই সদ্‌অর্থেই এ এক ভূত যা মানুষের ভিতরে বসেই নেচে চলেছে নিশিদিন – যোগ বিয়োগ, গুণ ভাগের নিয়ম না মেনেই করে চলেছে অঙ্ক, আর আপাত ভাবে বিগড়ে থেকেও কখনওই তার ব্যাধি প্রকাশ পেতে দেয়না, ঠিক আমার ল্যাপটপের মত।।



4:05 PM
"Walking alone and no way out"

hallo


2:26 AM
"Walking alone and no way out"
just an entry
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit.Praesent aliquam, justo convallis luctus rutrum. erat nulla fermentum diam, at nonummy quam ante ac quam. Maecenas urna purus, fermentum id, molestie in, commodo porttitor, felis. Nam blandit quam ut lacus. Quisque ornare risus quis ligula. Phasellus tristique purus a augue condimentum adipiscing.

29th January 2008
"Walking alone and no way out"
just another entry
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit.Praesent aliquam, justo convallis luctus rutrum. erat nulla fermentum diam, at nonummy quam ante ac quam. Maecenas urna purus.
Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit.Praesent aliquam, justo convallis luctus rutrum.Phasellus tristique purus a augue condimentum adipiscing.


20th January 2008
"Walking alone and no way out"